ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৬:১৬ পিএম
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ নাহিদ ইসলাম।
গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের জয় নাহিদ ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকারটি পুনরুদ্ধার হওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়েরই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, তারেক রহমান এবং তাঁর পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং তাঁদের দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছে।
শহীদদের ত্যাগের ফসল জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে নাহিদ বলেন, “হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ফলে এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যেখানে তিনি (তারেক রহমান) ও তাঁর পরিবার দেশে ফিরে আসতে পেরেছে।ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে আগামীর রাজনৈতিক সহাবস্থানের ওপর জোর দিয়ে বলেন রাষ্ট্রীয় দমন বন্ধ আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার হতে হবে না।
আইনের শাসন বিগত দেড় দশকের অবরুদ্ধ পরিবেশ ভেঙে আজ আমরা যে মুক্ত বাংলাদেশের পথে হাঁটছি, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।বহুদলীয় গণতন্ত্র তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে বলে বিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।নাহিদ ইসলামের মতে, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এখন দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি তারেক রহমানের অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ফলপ্রসূ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, আজ দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তারেক রহমান ৩০০ ফিট সংবর্ধনা মঞ্চে ভাষণ দেন এবং বর্তমানে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন