রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
গণবিপ্লবী উদ্যোগ আত্মপ্রকাশ

গণবিপ্লবী উদ্যোগ‍‍` নামে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের যাত্রা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

গণবিপ্লবী উদ্যোগ‍‍` নামে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের যাত্রা

ছবি: দিনাজপুর টিভি গ্রাফিক্স

সকল ক্ষমতা জনগণের এই মৌলিক রাষ্ট্রদর্শন ও রাজনৈতিক ঘোষণাকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গণবিপ্লবী উদ্যোগ। প্ল্যাটফর্মটির প্রাথমিক সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আরিফ সোহেলকে আহ্বায়ক এবং ৩৫ জনকে সংগঠক করে সর্বমোট ৩৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই রাজনৈতিক উদ্যোগের আত্মপ্রকাশ ও সাংগঠনিক কাঠামোর বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী দুই মাস এই প্রস্তুতি কমিটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালন করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণবিপ্লবী উদ্যোগ মূলত জনগণের প্রকৃত সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ নাগরিক, প্রকৃতি ও স্থানীয় সমাজের সমন্বয়ে একটি নতুন রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যভিত্তিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় দেশের জনগণকে নিছক ভোটার হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক, নীতিনির্ধারক ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্রিয় অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সাথে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও পুনর্বণ্টন, শক্তিশালী স্থানীয় স্বশাসন প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ ও প্রকৃতিনির্ভর শাসনচিন্তা, জনস্বার্থমুখী বিকল্প অর্থনীতি বিনির্মাণ এবং তৃণমূলের সমাজ ও সংস্কৃতির সামগ্রিক পুনর্জাগরণকে এই উদ্যোগের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

কমিটির সংগঠকেরা নিজ নিজ অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিত করে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তুলবেন। প্রস্তুতি কমিটির নেতারা স্থানীয় বাস্তব সমস্যা ও সংকটকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি জনসংযোগ গড়ে তুলবেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে গণসংগঠন তৈরির পাশাপাশি জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় নিশ্চিত করবেন। রাজনৈতিক চেতনা নির্মাণ, মানুষকে অধিকার সচেতন করা এবং স্থানীয় অর্থনীতি, আধুনিক শিক্ষা, টেকসই কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা, সংস্কৃতি চর্চা ও জনসেবামূলক কাজে বিকল্প মডেল গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে। 

এই সমগ্র রূপরেখায় কেন্দ্রীয় কমিটির ভূমিকা থাকবে কেবল আন্তঃসমন্বয় ও জাতীয় নীতিনির্ধারণে, যেখানে তৃণমূলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় স্বশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ঘোষিত দুই মাসের সাংগঠনিক মেয়াদের মধ্যেই প্রস্তুতি কমিটি সংগঠনের একটি পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র প্রণয়ন সম্পন্ন করবে। এই গঠনতন্ত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনগণ, প্রকৃতি, স্থানীয় সমাজব্যবস্থা, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা এবং আঞ্চলিক স্বশাসন—এই পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভকে মূল আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কেন্দ্রীয় এই প্রস্তুতি কমিটির প্রধান আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আরিফ সোহেল।

কমিটির অন্যান্য ৩৫ জন সংগঠক হলেন অদিতি, আজাদ খান ভাসানী, আজহারুল হক লিংকন, আব্দুল্লাহ আল সোহানুর ইসলাম সোহান, আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন, আব্দুস সামাদ আজিজ, আবির হাসান, আমিনুল হুদা আমান, আসিফ নেহাল, ইমতিয়াজ রাকিবুল, উম্মে খায়ের ঈদি, কবীর আলমগীর, খন্দকার নিয়াজ রহমান, খান মুহাম্মদ মুরসালীন, জার্জীস আহমেদ, তানজিনা তাম্মিম হাপসা, তাপসী রাবেয়া, নাহিদ ইসলাম, ফারজানা আক্তার চারুলতা, ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মাসুম সরকার রাজা, মাহাথির মেসুত হিমেল, মিশু আলী শুহাস, মো. আশিকুর রহমান খান, মো. তানভীর হাসান, মো. মাসউদুজ্জামান, মো. রাকিবুল হাসান ইমন, মোহাম্মদ ফাহিম আহম্মেদ, মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান, রাঈদ হাসান, রোকন শেখ, লিখন ইসলাম, শিবলী মোস্তফা খান, সাখাওয়াত হোসেইন তুরাগ এবং সুমাইয়াহ রহমান।