মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

চুল টেনে লাল কার্ড দেখলেন দুই ফুটবলার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

চুল টেনে লাল কার্ড দেখলেন দুই ফুটবলার

ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল মাঠে ফাউল, বিপজ্জনক ট্যাকল কিংবা হাতাহাতির কারণে লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা নিয়মিত হলেও এবার এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সাক্ষী হলো আন্তর্জাতিক ফুটবল। কনকাকাফ নেশনস লিগের একটি আনুষ্ঠানিক ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলের ফরোয়ার্ডের অস্বাভাবিক লম্বা চুল ধরে টানার দায়ে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছেন অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার দুজন খেলোয়াড়। অ্যাঙ্গুইলার ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড অ্যাডেন স্কিপিওর গোড়ালি ছাপিয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক লম্বা ড্রেডলক চুলকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।

চুল অতিরিক্ত লম্বা হওয়ায় খেলার সময় স্কিপিওকে কোমরের চারপাশে বিশেষ ধরনের ব্যান্ড পরতে হয়, যাতে ড্রেডলকগুলো শরীরের সঙ্গে আটকে থাকে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে তিনি যখন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন, ততক্ষণে তাঁর দল অ্যাঙ্গুইলা ৫-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল। তবে মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিটের মাথায় খেলা ছাপিয়ে আলোচনায় চলে আসে স্কিপিওর সেই চুল। তাঁর ড্রেডলক ধরে টান দেওয়ার অপরাধে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার খেলোয়াড় কিওন গ্রিনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন ম্যাচ রেফারি।

বিতর্কের এখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে আবারও স্কিপিওর চুলে হাত দেন অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার আরেক ফুটবলার শালন নাইট। এবার স্কিপিওর চুলে এতটাই জোরে টান দেওয়া হয় যে তিনি তৎক্ষণাৎ মাঠে লুটিয়ে পড়েন। এই ঘটনায় রেফারি কালবিলম্ব না করে শালন নাইটকেও সরাসরি লাল কার্ড প্রদর্শন করেন। ফলে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নয়জনের দলে পরিণত হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয় অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা।

প্রতিপক্ষের দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখলেও ম্যাচের সামগ্রিক ফলে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি অ্যাঙ্গুইলা। শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হার নিয়েই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে ২১০তম অবস্থানে থাকা অ্যাঙ্গুইলার নিচে কেবল সান মারিনো অবস্থান করছে। তবে বড় ব্যবধানে হারলেও মাঠের গোল উৎসব ছাপিয়ে পুরো ম্যাচটি এখন ফুটবল বিশ্বে আলোচিত হচ্ছে স্কিপিওর সেই চুলের ফাউলকে ঘিরেই।