মার্চ ২৮, ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
নীলফামারী জেলার ডোমার ও জলঢাকা উপজেলায় শনিবার গভীর রাতে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। হঠাৎ শুরু হওয়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি মাঠের ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এমন তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি।
কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতের এই শিলাবৃষ্টিতে জেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের ভুট্টা, মরিচ, আলু ও ধানক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক স্থানে বাতাসের তীব্রতায় উঠতি ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।
এতে চাষিদের বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভুট্টা ও মরিচ চাষিরা এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।শিলাবৃষ্টির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, বহু বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে।
গভীর রাতে বৃষ্টির পানি ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি পূজামণ্ডপ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, গত পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ দুর্যোগের অভিজ্ঞতা তাদের ছিল না।
নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর রহমান জানিয়েছেন, আকস্মিক এই দুর্যোগের পর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তা বা পরামর্শ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে। সরকারি পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান আসার পর ক্ষতির সঠিক চিত্র পরিষ্কার হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন