রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ২ শিক্ষার্থীকে হত্যা, সর্বশেষ যা জানা গেল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ২ শিক্ষার্থীকে হত্যা, সর্বশেষ যা জানা গেল

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নামের ওই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমানে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন পুলিশ। 

বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে এবং মৃতদেহের সুষ্ঠু প্রত্যাবর্তনে কাজ শুরু করেছে।

রোববার ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসের বরাতে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই মার্কিন কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। 

ইতোমধ্যেই জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তা দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে ফ্লোরিডার টাম্পা থেকে দুবাই হয়ে মরদেহ পরিবহনে কিছুটা জটিলতা থাকায় বিকল্প রুটগুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে স্থানীয় কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষ।অন্যদিকে নিখোঁজ অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার জন্য মার্কিন তদন্তকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দূতাবাস। 

মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে, এই জোড়া খুনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-শ্রেণির হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের গোপনীয়তার স্বার্থে পুলিশ বর্তমানে বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে আনছে না, তবে তারা পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ সরাসরি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার আশ্বাস দিয়েছে।

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনগুলো শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে। সরকার এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে এর সঠিক বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। শিক্ষার্থীদের এমন অকাল মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসীরা এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার দাবি করছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে সব ধরণের সহায়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।