রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বীরগঞ্জে নির্বাচনী প্রস্তুতি: জোটের শরিকদের নিয়ে জামায়াতের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

বীরগঞ্জে নির্বাচনী প্রস্তুতি: জোটের শরিকদের নিয়ে জামায়াতের বৈঠক

বীরগঞ্জে ১০ দলীয় জোটের মতবিনিময়: ভোট নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশনা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা ও সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে বীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা আমির অধ্যক্ষ মোঃ আনিসুর রহমান ১০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দীর্ঘ আলোচনা করেন। 

বীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির ক্বারী আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আগামী নির্বাচনের মাঠপর্যায়ের কর্মপরিকল্পনা এবং জোটগত সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে নির্বাচনের আগে জোটের শরিকদের এমন তৎপরতা স্থানীয় রাজনীতিতে বেশ গুরুত্ব বহন করছে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জাগপার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ইমরুল কায়েস রুপম এবং দিনাজপুর জেলা জাগপার সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা বাপ্পী। আলোচনাকালে অধ্যক্ষ মোঃ আনিসুর রহমান বলেন যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে জোটবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই। 

তিনি আসন্ন নির্বাচনে মাঠপর্যায়ের প্রতিটি ইউনিটে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় জোটের লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দেওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন। সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির বিভিন্ন কারিগরি ও কৌশলগত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উক্ত মতবিনিময় সভায় ১০ দলীয় জোটের অপর শরিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সভাপতি মুফতি মুস্তাকিম আমির, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রবিউল ইসলাম এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্বশীলগণ। 

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বর্তমান রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ১০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর এই সম্মিলিত বৈঠককে বীরগঞ্জের নির্বাচনী রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সভা শেষে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক গতিশীলতা আনয়ন এবং আগামী দিনের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে জোটের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করার শপথ নেওয়া হয়।