জুলাই ১৭, ২০২৬, ১০:২৫ এএম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অব্যাহত উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব তেলের বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।শুক্রবার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলারের ওপরে উঠেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়ে প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিনের দামের পতন পুরোপুরি কাটিয়ে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে জ্বালানির বাজার।
চলতি সপ্তাহে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দামই প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে ব্রেন্ট টানা তৃতীয় সপ্তাহ এবং ডব্লিউটিআই টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। দুই দেশের সামরিক সংঘাত ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এই জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তেলের দাম বাড়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। শুক্রবার সকালে এশিয়ার কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন ছিল নিম্নমুখী। বিশেষ করে জাপানের প্রধান শেয়ারসূচক নিক্কেই ২২৫, ৩ শতাংশের বেশি কমে দিনের লেনদেন শুরু করেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এই অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার ছাপ স্পষ্ট।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়বে। এর ফলে তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে সময় লাগতে পারে। তেলের দাম বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।সার্বিক পরিস্থিতি এখন বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি ও শেয়ারবাজারের এই অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক আলোচনার দিকে নজর রয়েছে সবার।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন