অক্টোবর ৩, ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং টেকসই শিল্পায়নের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে দুই লাখ গাছের চারা রোপণ করেছে শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)। কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেবিসিসিআই) উদ্যোগে গত ১ অক্টোবর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সোনাচরে অবস্থিত কুমিল্লা ইকোনমিক জোনে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়।
ঢাকাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট অতিথিদের একটি বিশেষ বহর কুমিল্লা ইকোনমিক জোনে পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান কেবিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা এবং এমজিআইয়ের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তফা কামাল।
অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত কিম জি জুন এবং কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান। এ সময় মোস্তফা কামাল বলেন, কোরিয়ান বন্ধু ও কেবিসিসিআই সদস্যদের উপস্থিতি তাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। সবুজায়নের এই উদ্যোগ বর্তমান সরকারের দেশব্যাপী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরিবেশ, দেশ ও মানুষের সুরক্ষায় এমজিআই এ ধরনের কল্যাণমুখী কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অতিথিরা ইকোনমিক জোনের নির্ধারিত স্থানে নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করেন।
রাষ্ট্রদূত কিম জি জুন জানান যে এখানে রোপণ করা প্রতিটি গাছ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার। আর কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান মন্তব্য করেন যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং পরিবেশ সুরক্ষা অবশ্যই পাশাপাশি চলা উচিত। উল্লেখ্য, কুমিল্লা ইকোনমিক জোনের পাশাপাশি এমজিআইয়ের আরও তিনটি ইকোনমিক জোন রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে মেঘনা ইকোনমিক জোন, মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন এবং তিতাস ইকোনমিক জোন অন্তর্ভুক্ত।
দিনের অন্যান্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে অতিথিরা ২০২৪ সালে রোপণ করা গাছগুলোর বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখেন এবং ইকোনমিক জোনের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ ও কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সভাপতি রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান। একটি স্মারক ফটোসেশন ও দুই দেশের ব্যবসায়ীদের অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। এ সময় মোস্তফা কামাল পুনরায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, শিল্পের প্রবৃদ্ধি এমন হওয়া উচিত যেন আমরা যে ভূমি ব্যবহার করছি, তাকে আগের চেয়ে আরও বেশি সবুজ করে রেখে যেতে পারি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন