সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৪:৩০ পিএম
খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমার কারণে আগস্ট মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুলাই মাসে সাত মাসের টানা পতনের পর মূল্যস্ফীতি সামান্য বাড়লেও আগস্টে তা আবার কমেছে। সর্বশেষ ২০২২ সালের জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ৭.৪৮ শতাংশ ছিল।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) মাসিক হালনাগাদ তথ্যে এসব বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতিতে স্বস্তি আসার প্রধান কারণ হলো খাদ্যপণ্যের দামের পতন।
চাল: খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে চালের প্রভাব আগস্টে ছিল ৪৮.৩৭ শতাংশের বেশি, যা জুলাই মাসের ৫১.৫৫ শতাংশের চেয়ে কিছুটা কম। মাঝারি চাল, মোটা চাল এবং মিহি চাল—এই তিন ধরনের চালেই মূল্যস্ফীতি ১৫ শতাংশের বেশি ছিল।
-
অন্যান্য পণ্য: মাছ (২৭.২৮%), ফল (৯.৭৬%) এবং ভোজ্যতেল (৭.৯৩%) খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব রেখেছে।
-
আলু ও পেঁয়াজ: এই সময়ে আলু ও পেঁয়াজের মূল্যস্ফীতি যথাক্রমে ১৫.৫৬ শতাংশ এবং ৪.৩৮ শতাংশ কমেছে, যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে।
-
শাকসবজি: আগস্টে শাকসবজির দাম কমেছে ০.১২ শতাংশ, যেখানে জুলাই মাসে তা ৬.৪৮ শতাংশ ছিল।
জিইডি’র বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন মাসে বোরো ধানের ভালো ফলন হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দামের কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। যদিও জুলাই মাসের শেষের দিকে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে সরকার মোট ১৭ লাখ টন বোরো ধান/চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খাদ্যশস্য সংগ্রহের পরিমাণ ১৮ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ১৭ লাখ ২০ হাজার টন চাল এবং অন্যান্য শস্য রয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন