রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হাতঘড়ি ও ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হাতঘড়ি ও ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা

ছবি-দিনাজপুর টিভি

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার সংক্রান্ত নতুন এক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুমোদিত ক্যালকুলেটর মডেলের তালিকা এবং হাতঘড়ি ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বোর্ডের দেওয়া নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রগুলোতে শুধুমাত্র সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল মডেলের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। বিশেষ করে ক্যাসিও সিরিজের বেশ কিছু জনপ্রিয় মডেলকে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মডেলগুলো হচ্ছে এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স-১০০এমএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৯৯১এমএস, এফএক্স-৯৯১এক্স, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৯৯১ইএস প্লাস ও এফএক্স-৯৯১সিডব্লিউ। তবে তালিকায় থাকা এই বিশেষ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটরগুলো ছাড়াও সাধারণ বা জেনারেল ক্যালকুলেটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

হাতঘড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরীক্ষার্থীদের বেশ কিছু নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষায় শুধুমাত্র কাঁটাযুক্ত বা এনালগ নন-প্রোগ্রামেবল হাতঘড়ি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই ডিজিটাল প্রোগ্রামেবল ঘড়ি বা স্মার্ট ওয়াচ নিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। মূলত পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে যে কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন রোধ করতেই শিক্ষা বোর্ড এই অবস্থান নিয়েছে। নির্দিষ্ট মডেলের বাইরে অন্য কোনো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বা ডাটা স্টোরেজ সুবিধা থাকা ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষার হলে পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের এমন নির্দেশনার ফলে পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি নির্বাচন নিয়ে যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল, তার অবসান ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেক সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুল মডেলের ক্যালকুলেটর নিয়ে যাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী ক্যালকুলেটর সংগ্রহ করলে শিক্ষার্থীরা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ছাড়াই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদেরও এই তালিকা অনুসরণ করে পরীক্ষার্থীদের ডিভাইসগুলো যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপ নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে দেখছে শিক্ষা বোর্ড।