জুলাই ২৬, ২০২৬, ১০:৪০ এএম
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের রসায়ন দ্বিতীয় পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে ভুলের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ সত্য নয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে ইতিমধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা সব প্রধান পরীক্ষকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।গত ২২ জুলাই অনুষ্ঠিত এই রসায়ন পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়।
শিক্ষার্থীদের একটি অংশ দাবি করেছিল যে সৃজনশীল অংশের কয়েকটি উদ্দীপকে তথ্যগত ত্রুটি ছিল। এতে পরীক্ষার হলে তারা বিভ্রান্তি ও বাড়তি মানসিক চাপের মুখোমুখি হন বলে অভিযোগ ওঠে। তবে শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তারা সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে এসব দাবির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা — এই চার স্তরের মূল্যায়ন থাকে।
প্রথম তিনটি অংশের উত্তর সহজ হলেও উচ্চতর দক্ষতার প্রশ্ন কিছুটা কঠিন ও বিশ্লেষণমূলক হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে না পেরে কঠিন প্রশ্নকেই ভুল বলে মনে করছে।প্রশাসন আরও ইঙ্গিত দিয়েছে যে কিছু কোচিং সেন্টারের বাণিজ্যিক স্বার্থ এতে জড়িত রয়েছে। তাদের সাজেস্ট করা প্রশ্ন পরীক্ষায় কমন না পড়ায় শিক্ষার্থীরা যাতে আগামীতে তাদের কাছে না যায় — সেই ভয় থেকেই উসকানি দেওয়া হচ্ছে।
প্রকৃতপক্ষে আট লাখ বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত আপত্তি আসেনি।চলতি বছরে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। বোর্ডের মতে, প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুসারেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে এবং পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন