মে ১১, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
অলসতা অনেক সময় শুধু কাজ করতে না চাওয়ার বিষয় নয়; এটি ক্লান্তি, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব কিংবা অনিয়মিত জীবনযাপনের ফল হতে পারে। তবে জীবনযাপনের কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে অলসতা কাটানো সম্ভব বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিদিনের শুরুটা সক্রিয়ভাবে করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বেশি সময় না থেকে হালকা ব্যায়াম, হাঁটা বা শরীর চর্চা করলে মস্তিষ্ক দ্রুত সক্রিয় হয়। এছাড়া বড় কাজকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে লক্ষ্য স্থির করলে কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাস ও আগ্রহ দুই-ই বাড়ে।
পর্যাপ্ত ঘুম অলসতা দূর করার অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, কারণ অনিয়মিত ঘুম শরীরে দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি তৈরি করে। পাশাপাশি অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে ফল, শাকসবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে মানুষের মনোযোগ কমে যায়, যা অলসতার একটি বড় কারণ। নির্দিষ্ট সময় ছাড়া ফোন ব্যবহারের অভ্যাস কমানো এবং প্রতিদিন কিছু শারীরিক পরিশ্রম শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখে। এছাড়া "পরে করবো" এমন চিন্তা পরিহার করে যেকোনো কাজ অন্তত পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও শুরু করার কথা জানানো হয়েছে।
ইতিবাচক পরিবেশে থাকা এবং পরিশ্রমী মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো কাজের স্পৃহা তৈরি করে। তবে দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত ক্লান্তি, অনাগ্রহ কিংবা বিষণ্নতা কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রতিদিনের সামান্য পরিবর্তনই জীবনকে আরও প্রাণবন্ত ও কর্মমুখর করে তুলতে পারে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন