অক্টোবর ৬, ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
অসুস্থ হলে শরীরের সামান্য অস্বস্তিও অনেক বেশি বিরক্তিকর মনে হয়। জ্বরের সঙ্গে ঘাম, সর্দি, দুর্বলতা কিংবা শরীর ব্যথা থাকলে বিছানায় শুয়ে থাকাটাও কষ্টকর হয়ে ওঠে। এমন সময়ে ওষুধ ও বিশ্রামের পাশাপাশি আরামদায়ক পোশাকও কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। অসুস্থতার সময় কেমন পোশাক পরলে আরাম পাবেন, তা জেনে নেওয়া যাক।
অসুস্থতার সময় শরীর দুর্বল থাকার পাশাপাশি ত্বকেও অস্বস্তি হতে পারে। তাই খুব আঁটসাঁট বা খসখসে কাপড়ের বদলে নরম, হালকা ও বাতাস চলাচল করে এমন কাপড় বেছে নেওয়া ভালো। সুতি বা নরম লিনেনের পোশাক এ ক্ষেত্রে বেশ আরামদায়ক হতে পারে। যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তারা যে কাপড়ে স্বস্তি পান সেটিকেই অগ্রাধিকার দিন। জ্বর বা দুর্বলতার সময় শরীরকে চেপে ধরে এমন পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো। ঢিলেঢালা ফতুয়া, নরম নাইটি, টি-শার্ট কিংবা আরামদায়ক ট্রাউজার পরতে পারেন। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা, পাশ ফিরতে বা বারবার উঠে বসার সময় শরীরে বাড়তি চাপ পড়ে না।
জ্বরের সময় অনেকের শরীর ঘেমে যায়। ভেজা পোশাক গায়ে লেগে থাকলে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। তাই হালকা ও ঘাম শোষণ করতে পারে এমন কাপড় বেছে নিন। পোশাক ভিজে গেলে সেটি বদলে শুকনো ও পরিষ্কার পোশাক পরাও জরুরি। অসুস্থতার সময় পোশাকের রং নিয়েও একটু ভাবা যেতে পারে। সাদা, অফ-হোয়াইট, হালকা নীল, প্যাস্টেল সবুজ বা ল্যাভেন্ডারের মতো নরম রং অনেকের কাছে চোখে আরামদায়ক ও প্রশান্তিদায়ক মনে হতে পারে। তবে রঙ কোনো চিকিৎসা নয়; যে রঙে নিজের ভালো লাগে এবং স্বস্তি পাওয়া যায়, সেটিই বেছে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।
অসুস্থ অবস্থায় শরীরের তাপমাত্রা মাপা, ওষুধ লাগানো, কাপড় বদলানো বা প্রয়োজনে শরীর পরিষ্কার করা সহজ করতে সামনে বোতাম বা জিপার থাকা পোশাক বেশ সুবিধাজনক। বিশেষ করে দুর্বল ব্যক্তি বা বয়স্কদের জন্য এমন পোশাক দৈনন্দিন পরিচর্যাকে আরও সহজ করে তোলে।
অসুস্থতার সময়ে পোশাকের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ফ্যাশনের চেয়ে আরাম। নরম কাপড়, ঢিলেঢালা কাট, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সহজে পরা ও খোলা যায়—এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই শরীর কিছুটা স্বস্তিতে রাখা সম্ভব। জ্বর বা অন্য কোনো অসুস্থতা হলে পোশাকের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রয়োজনীয় তরল এবং চিকিৎসকের পরামর্শও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন