জুন ৮, ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
ভারতের মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস অভিযোগ করেছে, বাংলাদেশি সন্দেহে বহু মানুষকে বন্দুকের মুখে সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, নারী ও শিশুসহ বহু মানুষ বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় অনিশ্চিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
সংগঠনটির দাবি, পশ্চিমবঙ্গের সরকার ‘চিহ্নিতকরণ, বহিষ্কার ও মুছে ফেলা’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসএফকে দিয়ে এই পুশ ব্যাক কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা বলছে, বিএসএফ এসব মানুষকে সীমান্তে রেখে দায় অস্বীকার করছে এবং বিজিবি তাদের প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না।
ফলে জিরো পয়েন্ট বা নো ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া মানুষগুলো খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।এপিডিআর জানিয়েছে, আটকে পড়াদের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুও রয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কোনো যাচাই-প্রক্রিয়া ছাড়াই রাতের অন্ধকারে প্রিজন ভ্যানে করে সীমান্তে নিয়ে এসে অস্ত্রের ভয় দেখানো হচ্ছে। এ নীতিকে ভারতের সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিহিত করেছে সংগঠনটি।
সীমান্তে এই মানবিক সংকট নিরসনে এপিডিআর অবিলম্বে পুশ ব্যাক কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১১ জুন মালদা শহরে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে পরিস্থিতির সমাধানে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তারা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন