সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ১২:৫৮ পিএম
ফিলিস্তিনি শিশুসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার অধিকার রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোগান। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের মুখে বিশ্ব নীরব থাকতে পারে না।
কাতারের দোহায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও আরব লীগের যৌথ সম্মেলনে এ বিষয়ে একটি যৌথ ঘোষণায় তিনি স্বাক্ষর করেন।
১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের সাইডলাইনে এমিন এরদোগান কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির মা এবং 'এডুকেশন অ্যাবোভ অল ফাউন্ডেশন'-এর প্রতিষ্ঠাতা শেখ মোজা বিনতে নাসেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে, এই ফাউন্ডেশন থেকে 'সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে
বসবাসরত শিশুদের শিক্ষার এক ভয়াবহ বছর' শীর্ষক একটি ঘোষণা প্রকাশ করা হয়, যা আন্তর্জাতিক শিক্ষা সুরক্ষা দিবসে প্রকাশিত হয়। এই ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন এমিন এরদোগানসহ বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট লেডি ও শীর্ষ আন্তর্জাতিক কর্মকর্তারা।
ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সাল সংঘাতপূর্ণ এলাকার শিশুদের শিক্ষার অধিকারের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বছর। এতে গাজা, সুদান, ইউক্রেন, মিয়ানমার, কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিশুদের হত্যা, অনাহার, আঘাত এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
বিশেষ করে, ঘোষণায় গাজায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে 'এডুকেশনসাইড' বা পরিকল্পিতভাবে স্কুল, গ্রন্থাগার ও বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়েছে।এই ঘোষণায় স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ছিলেন এমিন এরদোগান
শেখ মোজা, বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মিরেলা বেচিরোভিচ, কলম্বিয়ার ভেরোনিকা আলকোসের গার্সিয়া, গাম্বিয়ার ফাতুমাতা বাহ-ব্যারো, সিয়েরা লিওনের ফাতিমা মাদা বায়ো, জর্ডানের প্রিন্সেস দানা ফিরাস, মালয়েশিয়ার ওয়ান আজিজাহ ইসমাইল এবং স্কটল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার হুমজা ইউসুফ।
ঘোষণাপত্রটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শিক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার পক্ষে একতাবদ্ধ অবস্থানের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন