সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

গাজায় যুদ্ধবিরতি নির্ভর করছে হামাসের সম্মতির ওপর: যুক্তরাষ্ট্র

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ৫, ২০২৫, ১০:২৫ এএম

গাজায় যুদ্ধবিরতি নির্ভর করছে হামাসের সম্মতির ওপর: যুক্তরাষ্ট্র

ছবি - সংগৃহীত

গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এখন কেবল হামাসের সম্মতির ওপর নির্ভর করছে বলে ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইসরায়েল প্রাথমিক সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাবে রাজি হয়েছে এবং হামাস সম্মতি দিলেই অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এই অগ্রগতিকে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনের পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।রবিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার হামাসের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছিল যে, আলোচনার পর ইসরায়েল ‘প্রাথমিক প্রত্যাহার সীমারেখায়’ যেতে সম্মত হয়েছে এবং বিষয়টি তাদের নিশ্চিত করা হয়েছে।এই অগ্রগতির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে লেখেন, “হামাস নিশ্চিত করলে যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। এরপরই বন্দি ও কয়েদি বিনিময় শুরু হবে এবং পরবর্তী ধাপের সেনা প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হবে।”

তিনি এটিকে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বিপর্যয় অবসানের একটি সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন।এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বন্দিমুক্তি ও শান্তিচুক্তি সফল করতে হামাসকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ইসরায়েল অস্থায়ীভাবে বোমাবর্ষণ বন্ধ করেছে, যাতে বন্দিমুক্তি ও শান্তিচুক্তির সুযোগ তৈরি হয়। হামাসকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, নইলে সব কিছুই ভেস্তে যাবে।”

উল্লেখ্য, এর একদিন আগেই হামাস ঘোষণা দিয়েছিল, তারা জীবিত ও মৃত সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত। তবে এর বিনিময়ে তারা গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার একটি বৃহত্তর জাতীয় কাঠামোর মধ্যে নির্ধারিত করার ওপর জোর দিয়েছে।

অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় এ পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশই নারী ও শিশু। ভয়াবহ এই সংঘাতে পুরো অঞ্চলটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং প্রায় সব অধিবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।