সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
ত্বক ও চুলের যত্ন

কিশমিশ ভেজানো পানির গুণে ভালো থাকে ত্বক ও চুল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম

কিশমিশ ভেজানো পানির গুণে ভালো থাকে ত্বক ও চুল

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি পানের অভ্যাস এখন দেশের পাশাপাশি বিদেশেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শরীর প্রাকৃতিকভাবে বিষমুক্ত করতে এই পানীয় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। রক্তস্বল্পতা দূর করার পাশাপাশি নিয়মিত এই পানি পানে ত্বক ও চুলের বিভিন্ন জটিলতা দূর হয় বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর বর্জ্য ও বিষাক্ত উপাদান ত্বকের ওপর প্রত্যক্ষ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

টক্সিনের মাত্রা বেড়ে গেলে ত্বক স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে প্রাণহীন হয়ে পড়ে এবং প্রদাহের সৃষ্টি হয়। কিশমিশ ভেজানো পানি রক্ত পরিশোধন ও শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে বিষমুক্ত করতে সহায়তা করে। নিয়মিত এটি পানে ত্বকের স্বাভাবিক সতেজতা ফিরে আসে, দাগের প্রকোপ কমে এবং অকাল বার্ধক্যের ছাপ সহজে বসে না। চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা নিয়ন্ত্রণেও পানীয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও বি ভিটামিন সমৃদ্ধ এই পানীয় চুলের গোড়া বা হেয়ার ফলিকল ভেতর থেকে শক্ত করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে যাদের চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তারা নিয়মিত এই পানীয় পানে সুফল পেতে পারেন।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে কোলাজেনের মাত্রা হ্রাস পেলে চামড়া শিথিল হওয়া, স্বাভাবিক দীপ্তি হারানো কিংবা মেছতার দাগের মতো জটিলতা প্রকাশ পায়। সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত কিশমিশ ভেজানো পানি পান করলে ত্বকের অকাল বার্ধক্য প্রক্রিয়া অনেকটাই প্রতিহত করা সম্ভব হয়। নারীদের ঋতুচক্র শুরু বা শেষ হওয়ার সময়ে শরীরে হরমোনের তারতম্য ঘটে।

এর প্রভাবে ত্বকে ব্রণের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় এবং প্রদাহজনিত কারণে লালচে ভাব দেখা দেয়। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় কিশমিশ ভেজানো পানি হরমোনজনিত এই ত্বকের অস্বস্তি ও দাগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।