ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ০৩:২১ পিএম
নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে দেশের শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) মাউশির সহকারী পরিচালক।
মাধ্যমিক-১ এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জানানো হয়। মাউশি জানিয়েছে, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন), দাখিল, এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালসহ কারিগরি (ট্রেড) পর্যায়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ শুরু হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের কাছে সময়মতো মানসম্মত বই পৌঁছে দেওয়া এবং এই বিতরণ প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন করতে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনাসমূহ মূলত বই গ্রহণ ও তার হিসাব ডিজিটালি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানকে প্রথমত, জেলা, উপজেলা এবং থানা পর্যায়ে অবশ্যই জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নির্ধারিত কারিগরি স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠ্যবই গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বই গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার বিদ্যমান ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে বই সরবরাহের চালান অনুমোদন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। এর জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে লগইন করে 'Chalan Management' অপশনে যেতে হবে।
তৃতীয়ত, পাঠ্যবই গ্রহণের পর কোনো ধরনের বিলম্ব না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনলাইনে চালান অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। চতুর্থত, সাপ্তাহিক ছুটির দিনসহ বই সরবরাহ ও গ্রহণ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া যায়। সর্বশেষ, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নিজ নিজ ইউজার অ্যাকাউন্টে তাদের নাম, মোবাইল নম্বর এবং স্বাক্ষর হালনাগাদ করে আপলোড করতে হবে, যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করবে। মাউশি আশা করছে, এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পালিত হলে নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে শিক্ষার্থীদের বই প্রাপ্তি নিয়ে আর কোনো জটিলতা তৈরি হবে না।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন