জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন। তবে ভোটারদের অসতর্কতা বা নিয়ম ভঙ্গের কারণে অনেক ব্যালট বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোন কোন কারণে পোস্টাল ব্যালট অবৈধ বা বাতিল বলে গণ্য হবে, তার একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে। ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় ব্যালট গণনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কারণে পোস্টাল ব্যালট বাতিল হবে:
ঘোষণাপত্র সংক্রান্ত ভুল: খামের ভেতরে নির্ধারিত ঘোষণাপত্র না থাকলে কিংবা ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে সেই ব্যালট বাতিল হবে।
চিহ্ন প্রদান: ব্যালট পেপারে একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে অথবা কোনো প্রতীকেই চিহ্ন না দিলে তা অবৈধ হবে। এছাড়া এমনভাবে চিহ্ন দেওয়া হলে যা দিয়ে প্রার্থীর পছন্দ স্পষ্ট নয়, সেটিও গণ্য হবে না।
প্রবাসী ভোটার (OCV): প্রবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে তাদের সংশ্লিষ্ট আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতীকের বাইরে অন্য কোনো প্রতীকে ভোট দিলে তা বাতিল হবে।
অপ্রাসঙ্গিক চিহ্ন: টিক বা ক্রস চিহ্ন ব্যতীত ব্যালট পেপারে অন্য কোনো প্রকার লেখালিখি বা সংকেত ব্যবহার করা হলে তা গণনা করা হবে না।
প্রযুক্তিগত কারণ (QR কোড): পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার পর খামের QR কোড স্ক্যান না করলে কিংবা কিউআর কোড ডুপ্লিকেট হওয়ার কারণেও ব্যালট বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটগণনা শুরুর আগে যদি পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে না পৌঁছায়, তবে তা গণনার অন্তর্ভুক্ত হবে না। বাতিল হওয়া ব্যালটগুলো একটি আলাদা খামে রেখে তার সঠিক হিসাব ফলাফল বিবরণীতে উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য, এই পদ্ধতিতে প্রবাসীরা ছাড়াও ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা, কয়েদি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন মনে করে, এই নির্দেশিকা সঠিকভাবে পালিত হলে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কোনো প্রকার বিতর্কের সুযোগ থাকবে না।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন