সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে সরকারের কর্মসূচি ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক

জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে সরকারের কর্মসূচি ঘোষণা

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মরণসভা, সমাবেশ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। রোববার সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।কর্মসূচি ঘোষণা।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন করা হবে। এ উপলক্ষে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এদিন ভোর ৬টায় শাহবাগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। ওই দিন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। একই দিনে কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণেও স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

২০২৪ সালের ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার দিনটিকে স্মরণ করে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। প্রদর্শনীটি চারুকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর কিংবা শাহবাগ স্কয়ারের উন্মুক্ত স্থানে হতে পারে।

১৮ জুলাই ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’ পালন করা হবে। ১৬ ও ১৭ জুলাইয়ের ঘটনার পর ১৮ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন, যা আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। এ উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিবাদী সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৪ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে শুরু হওয়া প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণ, ছাত্র-জনতা এবং অসংখ্য মাদ্রাসার শিক্ষার্থী অংশ নেন। যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত প্রায় ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কয়েক দিন অবরোধ কর্মসূচি চলেছিল। সেখানে শহীদদের স্মরণে ও ওই স্থানকে স্মরণীয় করে রাখতে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।