শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ১১:৩৪ পিএম

জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। উচ্চপর্যায়ের এসব বৈঠকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। 

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ কে এম নাজমুল হক এই বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বাড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় রূপ দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। 

এতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যৌথ সম্ভাবনার বিষয়ে বিশদ মতবিনিময় হয়। একই সঙ্গে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেন দুই দেশের সরকারপ্রধান। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে দুই বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক পর্যালোচিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ২৪ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পর পরই বক্তব্য দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কূটনৈতিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের স্টেনারগার্ডের সঙ্গেও ফলপ্রসূ বৈঠক করেছেন সরকারপ্রধান। আলোচনার সাইডলাইনে স্বাস্থ্য ও সার্বিক উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। 

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ধাত্রী বা মিডওয়াইফারির ভূমিকা জোরালো করা এবং মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে দুই দেশ। নিউইয়র্ক সফরের এই দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগগুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও সমন্বয় জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।