রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আমাদের একটাই চাওয়া সব মানুষ যেন নিরাপদ থাকে :তারেক রহমান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৪:৫১ পিএম

আমাদের একটাই চাওয়া সব মানুষ যেন নিরাপদ থাকে :তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে প্রিয় মাতৃভূমিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট (৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে) এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে তার প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।

নিরাপদ ও শান্তিময় বাংলাদেশের অঙ্গীকার: হাজার হাজার নেতাকর্মীর হর্ষধ্বনি ও করতালির মধ্য দিয়ে ভাষণের শুরুতে তারেক রহমান দেশ গড়ার নতুন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের যেকোনো মানুষ যেন নিরাপদ থাকে সেটাই আমাদের চাওয়া। আজ আমাদের সামনে সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান অনেকে বাস করেন, তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ দেশ গড়তে চাই।

বিশৃঙ্খলা পরিহারের আহ্বান: তারেক রহমান দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন। তিনি সকল প্রকার বিশৃঙ্খলা পরিহার করে দেশ গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রতিশোধ বা সংঘাত নয়, বরং ইনসাফ ও নিরাপত্তার ভিত্তিতেই আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে।৬৩১৪ দিন পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে মঞ্চে উঠে তারেক রহমান প্রথমেই মহান রব্বুল আলামিনের প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন। আবেগজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “মহান রব্বুল আলামিনের দোয়ায় মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছি।

 এর আগে আজ ভোরে তিনি লন্ডন থেকে সরাসরি সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করেন এবং পরে বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকা পৌঁছান।জনস্রোত ও উৎসবমুখর পরিবেশ: বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফিট পর্যন্ত দীর্ঘ পথে তারেক রহমানকে বরণ করতে লাখো মানুষের ঢল নামে। রাস্তার দুপাশের জনস্রোত পেরিয়ে বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে তিনি সভাস্থলে পৌঁছান। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে কুড়িল-বিশ্বরোড ও সংলগ্ন এলাকা এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভাষণ শেষে তারেক রহমান সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর পর তার অসুস্থ মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করবেন।