রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়া প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়া প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ছবি-দিনাজপুর টিভি

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স বা ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। 

অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উভয় পক্ষ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।সংস্থাটির এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক লিনা রিক্কিলা তামাং এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। 

বৈঠকে তাঁর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন কনস্টিটিউশনাল গভর্নেন্স অ্যান্ড রুল অব ল প্রোগ্রামের প্রধান সুমিত বিসারিয়া। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে এই সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই সাক্ষাতকালে মূলত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যকারিতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধির কৌশলগুলো নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।বৈঠকের আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ‘জুলাই চার্টার’ বা জুলাই সনদ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু। সফররত প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংহতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাঁরা বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়ার পক্ষ থেকে সম্পৃক্ত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

আলোচনাকালে ডা. শফিকুর রহমান একটি স্থিতিশীল, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তাঁর দলের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। তিনি জুলাই সনদের সফল বাস্তবায়ন এবং গণভোটের মাধ্যমে পাওয়া রায়ের প্রতি জামায়াতের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। উপস্থিত সদস্যরা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও সংসদীয় সংস্কৃতির ইতিবাচক রূপান্তরের বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এই ধরনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।