শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের জনক‍‍` ডা. জাহিদ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ২৭, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের জনক‍‍` ডা. জাহিদ

ছবি : সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলাদেশের জনক হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রে অনন্য সাধারণ দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই সভার আয়োজন করে।ডা. জাহিদ বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছর রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছিলেন দেশের এই মহান নেতা। অথচ এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সরকারের প্রতিটি খাতে তিনি নিজের মেধা ও দূরদর্শিতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। জনগণ তার ওপর শতভাগ বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিল বলেই দেশের সার্বিক উন্নয়নে দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে কাউকে আর ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। বিগত দিনে যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করেছিল, দেশের সচেতন জনগণ তাদের সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে।

সমাবেশে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর দেশের মানুষ নতুন পরিবেশ পেয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমন্বিত দূরদর্শী নেতৃত্বের অধীনে আগামী দিনে একটি মানবিক, সুশাসিত ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে তিনি গভীর আশাবাদ প্রকাশ করেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনের শহীদ, নিখোঁজ ও পঙ্গুত্ববরণকারী পরিবারগুলোর সীমাহীন মানসিক কষ্ট ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। সরকার শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে তিনি জানান, অতীতে যখনই দেশে অমানিশার অন্ধকার নেমে এসেছে, তখনই দেশের মানুষ জাতীয়তাবাদী দলের পতাকাতলে এসে দাঁড়িয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে জনগণের ভালোবাসা অর্জিত না হলে শুধু প্রশাসন বা শক্তির জোরে দীর্ঘদিন শাসনক্ষমতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। প্রকৌশলী মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দের পরিচালনায় স্মরণসভায় প্রকৌশলী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।