বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বিপিএল ফিক্সিংয়ে সাবেক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকসহ নিষিদ্ধ ২

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

বিপিএল ফিক্সিংয়ে সাবেক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকসহ নিষিদ্ধ ২

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের একাদশ ও দ্বাদশ আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতিবিরোধী ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সাবেক মালিক এবং অপর একটি দলের ম্যানেজারকে ক্রিকেটীয় সব ধরনের কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি হলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক স্বত্বাধিকারী আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ এবং দুর্বার রাজশাহীর দলীয় ম্যানেজার আমিন খান।

দুজনের বিরুদ্ধেই বিসিবির দুর্নীতি দমন বিধিমালার চারটি করে সুনির্দিষ্ট ধারা ভঙ্গের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে। বিপিএলের গত আসরে ট্রায়াঙ্গল সার্ভিসেসের ব্যানারে চট্টগ্রাম রয়্যালস দলের মালিকানা নিয়েছিলেন আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগের দিন ক্রিকেটারদের পাওনা পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়ে বিসিবির কাছে মালিকানা প্রত্যাহারের আবেদন জানান তিনি, যার পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড সরাসরি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। 

এবার তার বিরুদ্ধে মাঠের ফলাফল বেআইনিভাবে প্রভাবিত করা, ফিক্সিংয়ের ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকা এবং দুর্নীতির কোনো প্রস্তাব পাওয়ার পরও তা নির্ধারিত কর্মকর্তাকে অবহিত না করার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত চলাকালে নিজের ব্যবহৃত মূল মুঠোফোনটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য জমা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তদন্তকাজে সরাসরি বাধা সৃষ্টির সুনির্দিষ্ট অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে দুর্বার রাজশাহীর ম্যানেজার আমিন খানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ম্যাচের ফলাফল বেআইনিভাবে প্রভাবিত করার চক্রান্তের পাশাপাশি অন্যান্য খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদেরও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে প্ররোচিত বা উৎসাহিত করেছিলেন। তা ছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তাদের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য প্রদান না করা এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি ও বার্তা গোপন বা ধ্বংস করে বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শাস্তি কার্যকর করার পাশাপাশি বিসিবি অভিযুক্তদের পরবর্তী চৌদ্দ দিনের মধ্যে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য লিখিত ব্যাখ্যা ও আনুষ্ঠানিক জবাব দাখিলের চরম নির্দেশ প্রদান করেছে।