রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

টেস্ট অধিনায়কের খোঁজে বিসিবি, শীর্ষে লিটন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ১০:১৪ এএম

টেস্ট অধিনায়কের খোঁজে বিসিবি, শীর্ষে লিটন

ছবি - সংগৃহীত

ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব হারানোর পর রাগে-অভিমানে টেস্ট অধিনায়কত্বও ছেড়ে দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার এই আকস্মিক পদত্যাগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তীব্র অধিনায়ক সংকটে পড়েছে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দলের নেতৃত্বে কাকে দেখা যাবে, তা নিয়েই এখন বোর্ডের অন্দরে চলছে বড় ধরনের আলোচনা ও বিশ্লেষণ। টেস্ট দলের অধিনায়ক কে হবেন, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বোর্ড রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে, কারণ হাতে সময়ও খুব বেশি নেই। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এই মুহূর্তে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পছন্দ লিটন দাস।

মেহেদি হাসান মিরাজ ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে থাকলেও সাম্প্রতিক কয়েকটি সিরিজে তার নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় টেস্ট অধিনায়ক পদে তার নাম আপাতত বিবেচনায় রাখা হচ্ছে না। তবে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় অবাক করা একটি সম্ভাবনাও উঁকি দিচ্ছে। বিসিবি হয়তো শান্তকেই পুনরায় টেস্ট অধিনায়কত্বের প্রস্তাব দিতে পারে। শান্তর টেস্ট ব্যাটিং ফর্ম, দলের মধ্যে তার প্রভাব এবং নেতৃত্বের স্থিরতা বিবেচনায় বোর্ড আবারও তার কাছেই ফিরে যেতে পারে।

তবে এক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বোর্ডের প্রতি শান্তর অভিমান। ওয়ানডে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তিনি সহজভাবে নেননি এবং এই বিষয়ে কোনো কথা বলতেও রাজি হননি।এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেট অপারেশনস, নির্বাচক এবং কোচিং স্টাফের শীর্ষ সদস্যরা কথা বলে একজন মানানসই অধিনায়ক নির্বাচন করবেন, যাকে সেই দায়িত্ব গ্রহণও করতে হবে। তিনি পরিষ্কার করেন যে, এই বিষয়ে এখনো নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে বোর্ডের কোনো কথা হয়নি।

সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ ওমর বেলিম মনে করেন, শান্তকে ফিরিয়ে দিতে পারলে ভালো হয়। তবে তিনি যদি রাজি না হন, সেক্ষেত্রে লিটন-মিরাজের মধ্যে মিরাজ ভালো পছন্দ হতে পারেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিসিবির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। দলে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাব থাকায় নতুন কাউকে অধিনায়ক হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পাওয়া যায় না। আয়ারল্যান্ড সিরিজের আগে অধিনায়ক নির্বাচন জরুরি হলেও, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং একটি স্থিতিশীল নেতৃত্ব কাঠামো তৈরি করা।