নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১০:১৯ পিএম
শীতের আগাম সবজির বাজারে কে আগে নিতে পারবেন সেই নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে ফসলের মাঠে। দিনাজপুরের বিভিন্ন গ্রামে আগাম শীতকালীন মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, টমেটো, লাল শাক, পালং শাক, পুঁইশাক, লাউশাক, বরবটিসহ এলাকার কৃষকেরা বাজারে তাদের সবজি বিক্রি করছেন।
দিনাজপুরে এখন ফুলকপির মৌসুম। শীতের এই সবজি অল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় আগাম ফুলকপি চাষ অনেক কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে। আর আগাম এই ফুলকপির চাহিদা ও বাজার দুটোই ভালো থাকার কারণে এর চাষের পরিধি বাড়ছেই। এতে কৃষকও লাভবান হচ্ছেন।
নভেম্বর মাসে ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাজারে আসা ফুলকপি-বাঁধাকপি আশানুরূপ দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে পুঁজির পাশাপাশি দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন কৃষক। তাই স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে এসব সবজি।
ভালো দামের আশায় এবার নভেম্বরের আগেই অক্টোবরের শেষ থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আগাম জাতের ফুলকপি-বাঁধাকপি। অনেকে এতেই স্বাবলম্বী হয়েছেন।
কাহারোলের রাঙ্গাচাটা হাট এলাকার কৃষক স্বাধীন বলেন, "প্রতিবছর আগাম জাতের ফুলকপি ও বাঁধাকপি আবাদ করছি। আগাম সবজি চাষ করা কষ্টসাধ্য হলেও দ্বিগুণ লাভ হয়। এবার চারার দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদনে প্রতি বিঘা জমিতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিঘায় সবজি চাষের খরচ বাদ দিলে বিঘা প্রতি ১ লক্ষ টাকার উপরে লাভ হয়।"
চামদুয়ারী গ্রামের কৃষক সাজ্জাত আলী জানান, তিনি প্রত্যেক বছর আগাম জাতের সবজি চাষ করে লাভবান হয়েছেন। আগাম ফুলকপি চাষ করে বীরগঞ্জের কৃষক মামুন ও মিলনও ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন।
বীরগঞ্জের কৃষক ফরহাদ হোসেন জানান, তিনি স্থানীয় কৃষি খামার মালিকের কাছ থেকে ফুলকপি জাত-মার্বেল ও আর্লি স্পেশাল বীজ সংগ্রহ করে ৫ বিঘা জমি চাষ করেন। চারা রোপণের ৪৫-৫০ দিন পর থেকে খেতের ফুলকপি-বাঁধাকপি বিক্রয় শুরু করেছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন