জুন ২০, ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
পঞ্চগড়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বিত টাস্কফোর্স অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকে হ্যান্ডকাফসহ চার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এবং শের-ই-বাংলা পার্ক এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ঘটনায় চারজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য আহত হয়েছেন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে।
রাজনৈতিক নেতাদের নানা বাধা এবং মামলার আইনি কপি পেতে বিলম্বের কারণে এই ঘটনার সংবাদ প্রকাশে কিছুটা সময় লেগেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন রাজনগর এলাকার জয়নাল ও শাহেন শাহ, পুরাতন ক্যাম্প এলাকার হাসিবুর রহমান এবং পৌর যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব দিপু ইসলাম।এর আগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ হাসানের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স জেলা শহরের একটি পরিত্যক্ত দোকান থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় ওই চারজনকে আটক করে। পরে শের-ই-বাংলা পার্কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় একদল লোক এসে আচমকা তাদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়ে শহরের ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছ থেকে কাটা হ্যান্ডকাফসহ তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।
হামলায় সিপাহী ফাহিমুর রহমান, মোসাদ্দেক আলী, তরিকুল ইসলাম এবং আনসারের নায়েব সুবেদার জালাল উদ্দিন আহত হন।পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে যুবদল নেতা দিপু ইসলাম তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। জেলা পুলিশ সুপার আবু সাইম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন