সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বীরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের আলোচনা সভা ও ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

মোজাম্মেল হক

জুন ১৭, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

বীরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের আলোচনা সভা ও ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার দশ নম্বর মোহনপুর ইউনিয়নের আত্রাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শিশুদের নেতৃত্বাধীন বিশেষ প্রচারণা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টায় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বীরগঞ্জ এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের উদ্যোগে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

ফাইভ জিরো প্লাস এবং এনাফ বিষয়ক সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। স্থানীয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ, শিশু ফোরামের প্রতিনিধি এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এই সচেতনতামূলক ক্রীড়া উৎসবে উপস্থিত ছিলেন।আত্রাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইসমাইল গনির সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দশ নম্বর মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান চৌধুরী শাহিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে আজকের শিশুরাই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ এবং তাদের নিরাপদ ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ওয়ার্ল্ড ভিশনের এই ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ শিশুদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, সুপ্ত নেতৃত্বের বিকাশ এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি নতুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার শ্যামলা শান্তি কোরাইয়া, সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, পারুল রানী সাহা এবং আব্দুল কাদের। 

এছাড়া স্থানীয় শিশু ফোরামের সভাপতি জান্নাতুন লিমাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন। আয়োজক সংস্থা জানিয়েছে যে বিনোদন ও খেলাধুলার ছলে শিশুদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এই বিশেষ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। এই ধরনের সামাজিক ও ক্রীড়াভিত্তিক উদ্যোগ শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক সমাজ পরিবর্তনে দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।