রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রোজার আগেই বেড়েছে চিনির দাম, স্বস্তিতে সবজি বাজার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

রোজার আগেই বেড়েছে চিনির দাম, স্বস্তিতে সবজি বাজার

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে এখনো এক মাসের বেশি সময় বাকি, কিন্তু এর মধ্যেই নিত্যপণ্যের বাজারে অস্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, রোজা এলেই জিনিসের দাম বাড়ে, তবে এবার সেই প্রবণতা শুরু হয়েছে অনেক আগেভাগেই। বিশেষ করে চিনির বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিহার্য এই পণ্যটির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

চিনির বাজারে যখন এই উর্ধ্বগতি, তখন সবজির বাজারে চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন ও স্বস্তিদায়ক। শীতের পূর্ণ মৌসুমে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে এখন শীতকালীন সবজির সমারোহ।

জোগান বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে দামও, ফলে দীর্ঘ দিন পর সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন ক্রেতারা। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, মুলা, টমেটোসহ প্রায় সব ধরনের সবজিই এখন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের মধ্যে। বেশিরভাগ সবজিই এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকার ঘরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০-৪৫ টাকা এবং লাউ ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শিম প্রতি কেজি ৪০-৬০ টাকা এবং গাজর ও মুলা ৩০-৪০ টাকায় মিলছে। পালংশাক ও লালশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০-১৫ টাকায়।

পুরান ঢাকার বাসিন্দা গৃহিণী রহিমা বেগম স্বস্তি প্রকাশ করে জানান, আগে যেখানে ২০০-৩০০ টাকায় সামান্য কিছু সবজি কেনা যেত, এখন সেই টাকায় থলেভর্তি বাজার করা সম্ভব হচ্ছে।সবজিতে স্বস্তি মিললেও মাছের বাজারে গিয়ে হতাশ হতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তাদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই, মাছের দাম সব সময় চড়াই থাকছে। বাজারে প্রতি কেজি কোরাল ৭০০-৯০০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা এবং বড় চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মধ্যবিত্তের ভরসা পাঙাশ ও সিলভার কার্পও বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২৮০ টাকায়। মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, শীতে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম চড়া, যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়ছে। ইলিশের দাম এখনো আকাশছোঁয়া; এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০-২৫০০ টাকা এবং দুই কেজির ইলিশের জন্য ৩০০০ টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকা হচ্ছে।