বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আজ থেকে কার্যকর জ্বালানি তেলের নতুন দাম

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১০:৪২ এএম

আজ থেকে কার্যকর জ্বালানি তেলের নতুন দাম

কার্যকর হলো জ্বালানি তেলের নতুন দাম

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মূল্যের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আজ রোববার ১৯ এপ্রিল থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের নতুন দাম। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাম পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। 

আজ সকাল থেকেই দেশের সব ফিলিং স্টেশন ও ডিলার পর্যায়ে নির্ধারিত নতুন মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছে। 

এছাড়া অকটেনের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকায়, যা আগে ছিল ১২০ টাকা। পেট্রোলের ক্ষেত্রে লিটার প্রতি ১৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির ফলে আমদানিতে যে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।জ্বালানি তেলের এই নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ফলে পরিবহন ভাড়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের ওপর বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ ক্রেতারা। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। সংগঠনটি মনে করছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে নিয়মিত এই সমন্বয় দেশীয় বাজারে তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সহায়ক হবে।

পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সদস্য সচিব মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ এক বার্তায় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, বিশ্ববাজারের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে দাম সমন্বয় করার ফলে বাজারে জ্বালানি তেলের মজুত প্রবণতা কমবে। এটি তেলের বিক্রিতে আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজ রোববার ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার পাম্পগুলোতে নতুন মূল্যের চার্ট টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তদারকি জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত এই ধরণের সমন্বয় অব্যাহত থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি জীবনযাত্রার ব্যয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।