রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েলবাহী জাহাজ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েলবাহী জাহাজ

জ্বালানি তেল খালাস চলছে

দেশের আকাশপথ ও পরিবহন খাতে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে বড় সুখবর নিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর। গত শনিবার বিকেল নাগাদ চীনের পতাকাবাহী বিশাল ট্যাংকার জাহাজ ‍‍`শিং তং ৭৯৯‍‍` ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল বা বিমানের জ্বালানি নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। 

১৮২ দশমিক ৫ মিটার দীর্ঘ এই বিশাল জাহাজটির ড্রাফট বা পানির নিচের গভীরতা বেশি হওয়ার কারণে এটি সরাসরি মূল জেটিতে ভিড়তে পারেনি। বর্তমানে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাসের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‍‍`প্রাইড শিপিং লাইনস‍‍`-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জাহাজটি গভীর সমুদ্রে রেখে ড্রাফট কমানোর জন্য কিছু পরিমাণ জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে। 

ড্রাফট নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে চলে এলে জাহাজটিকে সরাসরি বন্দরের জেটিতে নিয়ে আসা হবে। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল বা জেট এ-১ নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে এসেছিল ‍‍`এমটি গ্রেট প্রিন্সেস‍‍` নামের আরেকটি ট্যাংকার।অন্যদিকে বিমানের জ্বালানির পাশাপাশি ডিজেল আমদানিতেও বেশ গতি ফিরেছে। শনিবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ট্যাংকার ‍‍`প্রিভে অ্যাঞ্জেল‍‍` চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এর ঠিক একদিন আগে শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে বহির্নোঙরে নোঙর করে পাকিস্তানি পতাকাবাহী ট্যাংকার ‍‍`এমটি কোয়েটা‍‍`।

চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আগমনের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে পরিবহন ও বিমান পরিষেবায় যে জ্বালানি সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল, এই বিপুল পরিমাণ আমদানির ফলে তা অনেকাংশেই দূর হবে। জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই আমদানিকৃত জ্বালানি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে দ্রুততার সাথে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করতে কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো।