জুন ৪, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
বন্ধ ও আংশিক সচল কারখানা পুরোপুরি সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিল থেকে বড় শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ সুবিধা পাবে। গ্রাহক পর্যায়ে এই ঋণের সুদের হার হবে ৭ শতাংশ, যা বর্তমান বাজার হারের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।শিল্পোদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আজ বৃহস্পতিবার রাতে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, একটি কোম্পানি বা গ্রুপ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত চলতি মূলধন ঋণ নিতে পারবে। দেশের সব ব্যাংকই এই তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ঋণ দিতে পারবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলো ৪ শতাংশ সুদে এই তহবিল থেকে টাকা নিতে পারবে এবং গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার হবে ৭ শতাংশ।কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোই এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য।
যেসব বৃহৎ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানের যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও চলতি মূলধনের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ঋণ পাবে। ঋণগ্রহীতাকে অবশ্যই সিআইবি অনুযায়ী খেলাপি হওয়া যাবে না এবং ইতিপূর্বে ঋণের অর্থ অপব্যবহারের কোনো রেকর্ড থাকা চলবে না। ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর, তবে ব্যবহারের ভিত্তিতে তা নবায়নযোগ্য হবে। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা।ঋণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
শ্রমিকদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল এবং কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য এই অর্থ ব্যয় করা যাবে। শ্রমিকদের বেতন সরাসরি ব্যাংকিং হিসাব বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পরিশোধ করতে হবে, কোনো নগদ লেনদেন অনুমোদিত নয়। নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংকগুলোর চলতি হিসাব থেকে টাকা কেটে নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের ব্যবহার যাচাইয়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও রিপোর্ট সংগ্রহের নির্দেশনাও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন