আব্দুস সালাম
এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
ছবি-দিনাজপুর টিভি
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও দিনব্যাপী ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল আয়োজিত এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা। তার নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে উপাচার্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির এবং ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. রকিবুল ইসলাম।
এ ছাড়াও রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস. এম. এমদাদুল হাসানসহ অনুষদের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী র্যালিতে অংশ নেন।দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা বলেন, বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস উপলক্ষে এই আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। এই ক্যাম্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে পশুপাখির বিভিন্ন রোগবালাই সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।
পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকরা তাদের গবাদি পশুর জন্য বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসাসেবা পেয়ে সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।উপাচার্য তার বক্তব্যে আরও জানান, হাবিপ্রবির পক্ষ থেকে এমন জনকল্যাণমূলক ও সেবামূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় ছিল গবাদি পশুর বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিভিন্ন সংক্রামক রোগের টিকা প্রদান এবং আধুনিক পশুপালনে বৈজ্ঞানিক পরামর্শ দান। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের তত্ত্বাবধানে কয়েকশ গবাদি পশুকে এই সেবার আওতায় আনা হয়। প্রাণিসম্পদ রক্ষায় ভেটেরিনারিয়ানদের পেশাদারিত্ব ও ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।