বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬,

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন হাবিপ্রবির ১৬ কৃতী শিক্ষার্থী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ৭, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন হাবিপ্রবির ১৬ কৃতী শিক্ষার্থী

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ শিক্ষাবর্ষের মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সোমবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য হাবিপ্রবির আটজন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন কৃষি অনুষদের অনন্যা খাতুন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আল জান্নাতুন নূর, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নুসরাত আফরিন শিল্পা, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের সুজানা দঙ্গল, ফিশারিজ অনুষদের ফারজানা খানম, গণিত বিভাগের রিশাত হোসাইন, অর্থনীতি বিভাগের বাবর আহমেদ এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আফরোজা সুলতানা।

২০২০ সালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে মনোনীত হয়েছেন একমাত্র শিক্ষার্থী জাকিরুল হাসান জিহাদ। তিনি ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের শিক্ষার্থী। এছাড়া ২০২১ সালের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য হাবিপ্রবির সাতজন কৃতি শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন কৃষি অনুষদের মবিতা টাঙ্গিন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সালমা খাতুন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের রাকিবুল হাসান, ফিশারিজ অনুষদের কে এম তৌফিক হাসান, গণিত বিভাগের মোহাম্মদ শাহজাহান, অর্থনীতি বিভাগের নাজমিন আরা এবং ফুড অ্যান্ড প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আনিকা তাহসিন।

তিন শিক্ষাবর্ষ মিলিয়ে এবার দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বমোট ৪৬৯ জন কৃতি শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। দেশের উচ্চশিক্ষা স্তরে অধ্যয়নরত মেধাবীদের পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়া এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের অসাধারণ ফলাফলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৫ সাল থেকে এই পদক প্রবর্তন করে ইউজিসি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর বা সিজিপিএ অর্জনকারী প্রথম স্থান অধিকারী শীর্ষ শিক্ষার্থীরাই প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় এই সম্মানজনক পুরস্কার পেয়ে থাকেন।