নভেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৭:২২ পিএম
লিভার আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি বিপাক, হজম, পুষ্টি রূপান্তর এবং রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ ফিল্টার করার মতো বহু জরুরি কাজ করে। তবে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে লিভারের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার নিয়মিত খেলে লিভারে চর্বি জমা, প্রদাহ এবং সিরোসিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্যানুসারে, লিভারের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক ৫টি খাবার হলো:
বেকন, সসেজ, হট ডগ এবং ডেলি মিটের মতো প্রক্রিয়াজাত মাংস ও স্ন্যাকস লিভারের জন্য ক্ষতিকর। এই খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং নাইট্রাইটের মাত্রা বেশি থাকে।
নিয়মিত খেলে ফ্যাটি লিভার ও লিভার ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি বাড়ে। এই খাবারগুলো অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ব্যাহত করে লিভারের পুনরুদ্ধার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।ডাল, ছোলা ও বিনজাতীয় খাবার।লিভারের বড় ক্ষতির সরাসরি কারণ অ্যালকোহল সেবন। অতিরিক্ত মদ্যপানে লিভার চর্বি জমা, প্রদাহ এবং দাগ (সিরোসিস) এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটি কোষের ক্ষতি করে এবং অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস বা স্থায়ী লিভার ফেইলিওরের ঝুঁকি তৈরি করে।
সাদা রুটি, পাস্তা এবং অন্যান্য পরিশোধিত ময়দার পণ্য মানবদেহ দ্রুত হজম করে, যা চিনি খাওয়ার মতোই। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়, যা লিভারকে চিনিকে চর্বিতে রূপান্তর করতে বাধ্য করে। এই বিপাকীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নন-অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।হোল গ্রেইন বা পূর্ণ শস্যদানা যুক্ত খাবার।
কোমল পানীয় এবং ক্যান্ডিতে থাকা অতিরিক্ত চিনি এবং ফ্রুক্টোজ লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। গবেষণা থেকে জানা যায়, চিনিযুক্ত পানীয় লিভারে চর্বি উৎপাদন দ্বিগুণ করে। এর ফলে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD) হতে পারে।
অস্বাস্থ্যকর তেল দিয়ে রান্না করার প্রক্রিয়ার ফলে বিপজ্জনক চর্বি তৈরি হয়, যা লিভারে চর্বি জমার দিকে নিয়ে যায়। ফাস্ট ফুডে অতিরিক্ত চর্বি, চিনি এবং লবণের সংমিশ্রণ থাকে, যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। গবেষণা ইঙ্গিত দেয়, যারা তাদের প্রতিদিনের খাবারের ২০% ফাস্ট ফুড খেয়েছেন, তাদের লিভারে চর্বির মাত্রা বেশি ছিল।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন