জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (B1/B2) পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন এবং কঠোর শর্ত যুক্ত করেছে মার্কিন প্রশাসন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার ইউএস অ্যাম্বেসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে যারা এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লক্ষাধিক টাকা) পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ জমা দিতে হবে।
মূলত যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ভিসার মেয়াদ শেষে ফেরত না আসার প্রবণতা রোধ করতেই এই পরীক্ষামূলক বন্ড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
মার্কিন দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মটি শুধুমাত্র ২১ জানুয়ারি বা তার পরবর্তী সময়ে ইস্যু করা নতুন ভিসার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। ২১ জানুয়ারির আগে যাদের কাছে বৈধ বি১/বি২ ভিসা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই বন্ড জমা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
দূতাবাস আরও সতর্ক করেছে যে, ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনোভাবেই বন্ড পরিশোধ করা যাবে না। সাক্ষাৎকারের পর ভিসা অফিসার বন্ডের প্রয়োজনীয়তা মনে করলে তবেই তা নির্ধারিত পদ্ধতিতে জমা দিতে হবে। কোনো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট বা এজেন্সির মাধ্যমে বন্ডের অর্থ লেনদেন না করার জন্য আবেদনকারীদের সতর্ক করা হয়েছে, কারণ এটি প্রতারণামূলক হতে পারে।
বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারী যদি ভিসার সকল শর্ত যথাযথভাবে মেনে চলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন, তবে পরবর্তীতে এই বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। তবে সাক্ষাৎকারের আগে ভুলবশত কোনো অর্থ পরিশোধ করা হলে তা কোনোভাবেই ফেরতযোগ্য (Non-refundable) হবে না। যারা ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বিস্তারিত তথ্যের জন্য মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সাহায্য নিতে বলা হয়েছে। আকস্মিক এই নতুন শর্তের ফলে সাধারণ ভ্রমণকারী এবং ব্যবসায়ীদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন