মে ১৭, ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
গুম ও নির্যাতনের মামলায় ট্রাইব্যুনালে ব্যারিস্টার আরমান প্রথম সাক্ষী হিসেবে আজ তাঁর গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ রোববার (১৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) গুমের মামলার শুনানিতে তিনি অংশ নেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তিনি এই জবানবন্দি প্রদান করেন।
এই বিশেষ মামলায় ইতিমধ্যে ১০ জন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের শিকার জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর পুত্র ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমান জবানবন্দি শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী হলো আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। কিন্তু ফ্যাসিবাদের প্রধান শেখ হাসিনা গুমের মতো জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধে সেনাবাহিনীর সদস্যদের অপব্যবহার করেছিলেন।
এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব পুরোপুরি নষ্ট করা এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে অরক্ষিত করে দেওয়া।গুমের একজন সরাসরি ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সশস্ত্র বাহিনীকে যেন আর কোনোদিন কোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তি বা দল নিজেদের স্বার্থে অপব্যবহার করতে না পারে।
ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দেশের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া পরিষ্কার রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই ঐতিহাসিক বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা পাবে এবং সেনাবাহিনী আবার মানুষের সর্বশেষ আস্থার স্থলে পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন