নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৫:৪৬ পিএম
শীতের মৌসুমে দেশজুড়ে বায়ুদূষণ বেড়ে যায়, যা শ্বাসকষ্ট, কাশি ও ফুসফুসজনিত নানা সমস্যার কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষণের ক্ষতিকর কণাগুলো আমাদের ফুসফুসে ঢুকে শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়ায়, যার ফলে কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে শ্বাসপ্রশ্বাসের ক্ষমতা কমে যায়।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, দূষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাদ্য শরীরকে যথেষ্ট সুরক্ষা দেয়। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার যোগ করলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে, শ্বাসনালিতে জমে থাকা মিউকাস কমে এবং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি পায়।
১. ব্রোকলি: ব্রোকলিতে থাকা সালফোরাফেন শরীর থেকে ক্ষতিকর বেঞ্জিনের মতো দূষক পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন-সি ও বিটা-ক্যারোটিন ফুসফুসের কোষকে রক্ষা করে।
২. সরিষা শাক: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-সি, যা কোষের প্রদাহ কমিয়ে শ্বাসনালিকে পরিষ্কার রাখে। প্রো-বায়োটিক ফাইবার হজমশক্তি বাড়িয়ে ইমিউনিটি শক্তিশালী করে।৩. আমলকী: এটি একটি প্রাকৃতিক ভিটামিন-সি পাওয়ারহাউস। দূষণের কারণে তৈরি হওয়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে ফুসফুসের টিস্যু রক্ষা করে আমলকী।৪. রামফল: এই ফলে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি৬ ও ম্যাগনেসিয়াম আছে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোষকে দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. টমেটো: টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন নামে এক শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ফুসফুসের কোষের ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাজমা বা হাঁপানির মতো সমস্যার ঝুঁকি কমায়।
৬. আদা: আদা শ্বাসনালি পরিষ্কার রাখতে অনন্য। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান মিউকাস ভেঙে দেয় এবং শ্বাস নেওয়া সহজ করে।
৭. হলুদ: হলুদের কারকিউমিন শরীরের প্রদাহ কমায়, কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং শ্বাসনালিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৮. ফ্ল্যাক্সসিড (তিসি বীজ): এতে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, যা শরীরে প্রদাহ কমায়, ফুসফুসের কোষ সুস্থ রাখে এবং শ্বাসনালিতে প্রদাহ কমিয়ে শ্বাসযন্ত্রের ফাংশন উন্নত করে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন