জুন ১৫, ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম
তিরিশের কোঠায় পা দিলে মানুষের ত্বক ও চুলে বেশ কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে। ভারতীয় পুষ্টিবিদ মালবিকা সেহগালের মতে, এর পেছনে মূল কারণ হলো ঘুম, মানসিক চাপ, পুষ্টি ও হরমোনের মাত্রায় বদল। এ সময়ে শরীরে কোলাজেন উৎপাদন এবং পুষ্টি শোষণের ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ত্বক তার স্বাভাবিক স্থিতিস্থাপকতা হারাতে শুরু করে।
একই সঙ্গে মাথার চুল পাতলা হতে থাকে এবং শরীরে প্রদাহ বাড়তে শুরু করে।এই সমস্যাগুলো সামাল দিতে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রাখা অত্যন্ত জরুরি। ত্বক ও চুল মূলত প্রোটিন কাঠামো দিয়ে তৈরি। প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে প্রতিদিনের খাবারে ডিম, দই, পনির ও নানা জাতের ডাল যুক্ত করা যেতে পারে। অন্যদিকে প্রদাহ কমিয়ে চুলের গোড়া শক্ত করতে তিসি, চিয়া বীজ এবং আখরোট দারুণ কাজ করে।
ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে ভিটামিন সি জাদুর মতো কাজ করে। নিয়মিত আমলকী, কমলালেবু, পেয়ারা ও ক্যাপসিকাম খেলে ত্বক টানটান থাকে। পালং শাক, বিটরুট ও কুমড়ার বীজের মতো আয়রন এবং ফলেট সমৃদ্ধ খাবার চুল পড়া কমিয়ে শরীরে বাড়তি শক্তি জোগায়।
পর্যাপ্ত ঘুম বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের সময়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করতে পারলে ব্রণের সমস্যা ও চোখের নিচের ফোলাভাব সহজেই এড়ানো সম্ভব।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন