জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:০৪ এএম
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিরসনে ওয়াশিংটনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক আলোচনা করেন।
আলোচনায় ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, আনুষ্ঠানিক চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে তিনি বর্তমানে কার্যকর থাকা ২০ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন। রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার এই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন।বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে মার্কিন কাঁচামাল (যেমন: তুলা) ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ড. রহমান প্রস্তাব করেন, যেসব পোশাকে মার্কিন উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ওপর থেকে মার্কিন শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহার করা হোক। মার্কিন প্রতিনিধিদল এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার বিষয়ে একমত পোষণ করেছে।
ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে ভিসা জটিলতা নিরসনের আহ্বান জানানো হয়। সম্প্রতি মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’-এ বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করায় ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করার জন্য রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। পাশাপাশি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য মার্কিন ডিএফসি (ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স কর্পোরেশন) তহবিল প্রাপ্তির অনুরোধও জানানো হয়।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির সহকারী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। দ্রুততম সময়ে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত করতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন