রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথ নেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম

১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথ নেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা

শপথের দিনক্ষণ চূড়ান্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের দিনক্ষণ প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন যে আগামী ১৬ অথবা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। শনিবার সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে ২৯৭টি আসনের নির্বাচনী ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। তবে এবারের শপথ অনুষ্ঠান কে পরিচালনা করবেন বা শপথ বাক্য কে পাঠ করাবেন তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে প্রেস সচিব উল্লেখ করেছেন। 

গত শুক্রবার গভীর রাতে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল গেজেট হিসেবে প্রকাশিত হয় যেখানে আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। 

এ ছাড়া শেরপুর ৩ আসনের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে আগেই নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার সারা দেশে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন সংসদ তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে এবং এর পরবর্তী ধাপে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষায় বিশেষ সহায়ক হবে। মানুষের প্রত্যাশা এখন নতুন সরকারের কর্মপরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সংসদ সচিবালয় যৌথভাবে শপথ অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি শেষ করে এনেছে। এখন কেবল চূড়ান্ত ক্ষণ গণনার অপেক্ষা। 

সারা দেশের ভোটাররা যারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তারা এখন তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় দেখার অপেক্ষায় আছেন। নতুন সরকার গঠনের এই প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।