রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের পঞ্চম দিন শুরু

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের পঞ্চম দিন শুরু

সংসদ অধিবেশন চলছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের পঞ্চম দিনের বৈঠক আজ মঙ্গলবার আবারও শুরু হয়েছে। বেলা সাড়ে তিনটায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এই অধিবেশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আজকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অধিবেশনটি পরিচালনা করছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। 

নতুন সংসদ গঠনের পর চলমান এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।অধিবেশনের শুরুতেই আজকের নির্ধারিত কার্যসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। 

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে যে আজকের আলোচ্যসূচির প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫‍‍`-এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান সংক্রান্ত জনগুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংবিধান সংস্কারের এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা ডাক্তার শফিকুর রহমান কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ এই বিশেষ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন। সে সময় প্রস্তাবটি পর্যালোচনার পর আজ আলোচনার জন্য দিন ধার্য করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আজকের অধিবেশনে সংবিধান সংস্কারের নানা দিক নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘ ও প্রাণবন্ত বিতর্কের সম্ভাবনা রয়েছে।

অধিবেশনের পরবর্তী অংশে নির্ধারিত রয়েছে প্রশ্নোত্তর পর্ব। এই পর্বে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ কৃষি, ভূমি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা তাদের দপ্তরের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উত্তর দেবেন। একই সাথে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তরগুলোও তালিকায় রয়েছে।

কার্যপ্রণালীর ৭১ বিধিতে আজ জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার জন্য আলাদা সময় নির্ধারিত রাখা হয়েছে। এতে সংসদ সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকার ও জাতীয় পর্যায়ের সমসাময়িক সমস্যাগুলো তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার কথা রয়েছে। সংসদীয় এই চর্চাটি বর্তমান সরকারের কর্মপরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।