রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জুয়া প্রতিরোধে সংসদে নতুন বিল, সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড

জাতীয় ডেস্ক

জুন ২৩, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম

জুয়া প্রতিরোধে সংসদে নতুন বিল, সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড

অনলাইন জুয়া, বাজি, ম্যাচ ফিক্সিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে জুয়ার অর্থ লেনদেনসহ সব ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে নতুন বিল উত্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ নামের এই বিলটি সংসদে তোলেন। পরবর্তীতে বিলটি যাচাই-বাছাই করে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

১৮৬৭ সালের পুরনো পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট রহিত করে এই নতুন আইনটি করা হচ্ছে।প্রস্তাবিত এই বিলে অনলাইন জুয়া, বাজি, ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অপরাধের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী এতে ১৪ ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। 

কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাধারণ জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অন্যদিকে কেউ যদি ভিপিএন বা মিরর সাইট ব্যবহার করে অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন, তবে তাঁর জন্য পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের ধারা অনুযায়ী, কেউ অনলাইন বেটিং বা বাজিতে অংশ নিলে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া ক্রিকেট বা অন্যান্য খেলায় ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের সাজা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড। প্রযুক্তি ব্যবহার করে জুয়ার বিস্তার রোধে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।