জুন ২৫, ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হলে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এক বর্ণাঢ্য ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাই থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তিনি গ্রেট হলে এসে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। দুই দেশের প্রতিনিধিদের সাথে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় ও পরিচয় পর্ব শেষে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে লালগালিচা বিছানো অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের এটিই প্রথম চীন সফর।অভিবাদন মঞ্চে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল ঐতিহ্যবাহী সশস্ত্র সালাম প্রদান করে। এই সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানিয়ে রাষ্ট্রীয় তোপধ্বনি দেওয়া হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সম্মিলিতভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত প্যারেড পরিদর্শন করেন।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার দ্বিতীয় বিদেশ সফর। গত ২১ জুন প্রথম সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় যান তিনি এবং সেখান থেকে গত সোমবার রাতে চীনের দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নিতে পৌঁছান।
দালিয়ানের দুই দিনের সফল কর্মসূচি ও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সাথে সাইডলাইন বৈঠক শেষে গত বুধবার বিকেলে বিশেষ হাই স্পিড বুলেট ট্রেনে বেইজিং আসেন প্রধানমন্ত্রী। তার এই বেইজিং সফরের মূল সূচিতে রয়েছে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, যেখানে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এর আগে ২০০১ সালে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে এই গ্রেট হলের লালগালিচা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হলে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এক বর্ণাঢ্য ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাই থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তিনি গ্রেট হলে এসে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। দুই দেশের প্রতিনিধিদের সাথে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় ও পরিচয় পর্ব শেষে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে লালগালিচা বিছানো অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের এটিই প্রথম চীন সফর।অভিবাদন মঞ্চে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল ঐতিহ্যবাহী সশস্ত্র সালাম প্রদান করে। এই সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানিয়ে রাষ্ট্রীয় তোপধ্বনি দেওয়া হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সম্মিলিতভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত প্যারেড পরিদর্শন করেন।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার দ্বিতীয় বিদেশ সফর। গত ২১ জুন প্রথম সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় যান তিনি এবং সেখান থেকে গত সোমবার রাতে চীনের দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নিতে পৌঁছান।
দালিয়ানের দুই দিনের সফল কর্মসূচি ও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সাথে সাইডলাইন বৈঠক শেষে গত বুধবার বিকেলে বিশেষ হাই স্পিড বুলেট ট্রেনে বেইজিং আসেন প্রধানমন্ত্রী। তার এই বেইজিং সফরের মূল সূচিতে রয়েছে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, যেখানে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এর আগে ২০০১ সালে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে এই গ্রেট হলের লালগালিচা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন