জুলাই ২২, ২০২৬, ১১:৩৪ পিএম
তারুণ্যের প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে বর্তমান সরকার এমন একটি কর্মমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর, যেখানে তরুণ সমাজের সকল আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি তৈরি করা হবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানী ঢাকার মিরপুরে আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস বা ইউসেপ বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।তরুণদের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক শিষ্টাচারের সঠিক বিকাশ ঘটানোর ওপর বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন বলেন যে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্পখাতের বাস্তব চাহিদার ব্যবধান কমাতে অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যৌথ সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।
দেশের বেকারত্ব দূর করতে এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের উপযুক্ত করে তুলতে বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। বর্তমান শ্রমিকবান্ধব সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপে গত দুই ঈদের সময় শ্রমবাজারে কোনো ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়নি উল্লেখ করে তিনি জানান যে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, বকেয়া বেতন এবং বোনাস শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া কর্মসংস্থানের সুযোগ মূলত সরকারি, বেসরকারি, বৈদেশিক এবং উদ্যোক্তা—এই চার প্রধান খাতে তৈরি হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সবার জন্য কেবল চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার গতানুগতিক লক্ষ্য নির্ধারণ না করে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব আগ্রহ ও মেধা অনুযায়ী ট্রেডভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে তিন মাস বা ছয় মাসের স্বল্পমেয়াদি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণগুলোকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় এনে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনএসডিএ-র সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার উপযোগী করার কাজ চলছে বলে জানান মাহদী আমিন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন