জুলাই ২৮, ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে বঙ্গভবনে বসতে যাচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা সমীকরণ ও আলোচনা। সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার নাম ঘুরেফিরে এলেও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার বিচারে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলীয় ফোরাম থেকে শুরু করে সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাঁকে এই পদের জন্য অন্যতম সম্ভাব্য ও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এনেছে।রাষ্ট্রীয় সংকট উত্তরণে একজন প্রাজ্ঞ ও নিরপেক্ষ অভিভাবকের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দলের নেতৃত্বদান, আন্দোলন-সংগ্রামে আপসহীন ভূমিকা এবং বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কারণে মির্জা ফখরুল দলমত নির্বিশেষে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ না থাকা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের প্রতিও মার্জিত আচরণ তাঁকে বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারগণ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন।সংবিধানের নির্দিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ চলছে। দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে স্থিতিশীলতা আনয়নে আগামী নির্বাচনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনই পারে রাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলোকে আরও সুদৃঢ় করতে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন