জুলাই ২৮, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
দেশের চব্বিশতম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া রাষ্ট্রপ্রধানের সর্বোচ্চ আসনে কে বসতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। সংবিধানের নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এর ফলে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সুশীল সমাজ ও কূটনৈতিক মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ ও আলোচনা ডালপালা মেলতে শুরু করেছে।
সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির পদটি মূলত আলংকারিক হলেও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এই পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে নিজস্ব অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে এই পদে বসানোর জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
ইতোমধ্যে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের নামও সম্ভাব্য তালিকার আলোচনায় উঠে এসেছে। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ এবং দীর্ঘ আন্দোলনের ত্যাগকে মূল্যায়ন করাই হবে প্রধান অগ্রাধিকার।অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্থায়ীভাবে এই দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও দলের ভেতরে ও বাইরে নানা আলোচনা চলছে।
তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের ওপর। জাতীয় সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গভবনে আসীন হবেন—সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই।যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন