রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ফিটনেসবিহীন গাড়ি আর নানা লঙ্ঘন দিব্যি চলছে কেন, প্রশ্ন জাইমা রহমানের

জাতীয় ডেস্ক

আগস্ট ১২, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম

ফিটনেসবিহীন গাড়ি আর নানা লঙ্ঘন দিব্যি চলছে কেন, প্রশ্ন জাইমা রহমানের

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআরটিএ কার্যালয়ে গিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে দেশের সড়কব্যবস্থা ও লাইসেন্স প্রক্রিয়া নিয়ে নিজের সুনির্দিষ্ট ভাবনা তুলে ধরেছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে ফিটনেসবিহীন গাড়ি, বেপরোয়া চালনা এবং নানা নিয়ম লঙ্ঘন এখনো কেন দিব্যি চলতে থাকে।

ড্রাইভিং টেস্টে সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি এই মতামত ব্যক্ত করেন।পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন যে প্রায় দশ বছর আগে লন্ডনে প্রথম ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়ার পর সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশে দ্বিতীয় ড্রাইভিং টেস্ট দিয়ে সফল হয়েছেন। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি কেবল লাইসেন্স নয়, বরং সামগ্রিক সড়ক ব্যবহার এবং তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাগুলোর সঙ্গে নাগরিক সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছেন। 

সাধারণ নাগরিকদের সড়কে যে প্রতিদিনের ভোগান্তি ও হতাশার মুখোমুখি হতে হয়, তা তিনি তার লেখায় স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।নিয়ম মানার ক্ষেত্রে নাগরিকের ওপর চাপ থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ঘাটতি মানুষের মনে হতাশা তৈরি করে বলে তিনি মনে করেন।ডিজিটাল সেবার উদ্যোগকে ইতিবাচক বললেও তিনি উল্লেখ করেন যে শেষ পর্যন্ত যদি সেবাটি কার্যালয়ে এসে যোগাযোগের ওপর নির্ভর করে, তবে তা কাঙ্ক্ষিত সুফল দেয় না। 

অপ্রয়োজনীয় সশরীর যোগাযোগ ও দীর্ঘসূত্রিতা দালাল বা মধ্যস্থতাকারীদের সুযোগ তৈরি করে দেয়, যা দুর্নীতিকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করে। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাছাইমূলক আচরণ দেখলে সাধারণ মানুষ নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে বলে তিনি মন্তব্য করেন।সড়ক নিরাপত্তাকে কেবল গাড়ি বা শাস্তির বিষয় না ভেবে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।