বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬,
ইলিশ সংরক্ষণ ও গবেষণা

‍‍`মাছ আমদানি করতে হওয়া উদ্বেগের‍‍` বললেন প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

‍‍`মাছ আমদানি করতে হওয়া উদ্বেগের‍‍` বললেন প্রতিমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার মূল কারণ বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। কার্যক্রমে কোথায় দুর্বলতা বা নীতিগত ঘাটতি রয়েছে, তা দ্রুত খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

জাতীয় মাছের সংকট মেটাতে আমদানি বৃদ্ধির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ইলিশের উৎপাদন হ্রাস পেয়ে বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। তিনি বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে ইলিশের অস্তিত্ব রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। মা ইলিশ রক্ষায় অবৈধ ও ক্ষতিকর জালের উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ পুরোপুরি বন্ধ করতে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে জেলে প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতাদের মাধ্যমে ক্ষতিকর জাল বর্জনে সাধারণ মৎস্যজীবীদের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখা প্রান্তিক পরিবারের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তার বিষয়টি স্বচ্ছ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রণোদনার চাল ও অন্যান্য সামগ্রী যেন প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হাতেই পৌঁছায়, সে জন্য মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক তদারকি কয়েক গুণ বাড়ানো হবে।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সারাদেশে কঠোরভাবে পরিচালিত হবে। এই নির্দিষ্ট সময়জুড়ে দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ এবং যেকোনো ধরনের ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সাথে কর্মহীন হয়ে পড়া জেলে পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকে ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।